Read more »
সনাতন হিন্দুধর্মের মতে,জীবাত্মাতার জন্ম বা মৃতু্য নেই।দেহের মৃত্যু বা লয় আছে; জীবাত্মার মৃত্যু হয় না।এ অবিনশ্বর জীবাত্মা চক্রাকারে কর্মফল অনুসারে নতুন নতুন শরীর ধারণ করে ইহলোকে ফিরে আসে এবং নব কলেবের প্রকাশিত হয়।যেমন -বীর ব্যক্তি বাঘের শরীর ধারণ করে এবং কাপুরুষ ধরগোসের শরীর ধারণ করে পৃথিবীতে ফিরে আসে । অনুরূপভাবে প্রত্যেকেই তার কর্মফল অনুযায়ী পুনঃপুন নতুন দেহ ধারণ করে পৃথিবীতে আগমন করে।তাদের বিশ্বাসমতে-সাধনা ও সুকৃত কর্মের দ্বারাই এ চক্রের হাত থেকে নিষ্কৃতি লাভ করে এবং তার 'জীবাত্মা' 'পরমাত্মা'য় লীন হয়ে যায়।
উপনিষদে বলা হয়েছে-
একটিজোঁকযেমন একটি তৃণের উপর এসে সে পুরাতন তৃণকে ছেড়ে নতুন তৃণ গ্রহণকরে,তেমনি জীবাত্মা পুরাতন স্থুল দেহ ছেড়ে নতুন স্থুল দেহ ধারণ করে।
(বৃহদারণ্যক উপনিষদ, ৪/৪/৩)
শ্রীমদ্ভাগবত গীতায় এর আরো সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন,
"জিতস্য হি ধ্রুবো মৃত্যুধ্রুবং জন্ম মৃতস্য চ।
তন্মাদপরিহার্যেহর্থে ন ত্বং শোচিতুমহর্সি।"(গীতা,২/২৭)
অর্থাৎ 'জাত ব্যক্তির মৃত্যু ধ্রুব এবং মৃতুের জন্ম ধ্রুব।অর্থ্যাৎ জন্ম-মৃ, পুনর্জন্ম ও পুনর্মৃত্যু জীবজীবনে চক্রাকারে চলতে থাকে- এটাই চরম সত্য। এই চক্রকে বলা হয় ভবচক্র।তবে কর্মফল অনুসারে জীবাত্মা যখন পরমাত্মার বিলীন হয়, তখন ভবচক্রের ও জন্মান্তরের প্রয়োজন থাকে না।
উল্লেখ্যযে,এ ভবচক্র থেকে পরিত্রানের নাম হল 'মুক্তি'।
সনাতন ধর্মাবলম্বীর এই বিশ্বাটি পরবর্তীকালে জৈন,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টধর্মেও স্বীকৃতি পেয়ে।। এ বিশ্বাস অনুযায়ী হিন্দুধর্মের মধ্যে না আছে কিয়ামতের ধারণা,না আছে হাশর-নশ্বর,হিসাব-নিকাশ,মীযান,জান্নাত-জাহান্নামের ধারণা।
ইসলাম ধর্মমতে- মৃত্যুর পর পুনরায় এ ইহলোকে ফিরে আসার কোনো সুযোগনে।
আল্লাহ বলেন যে-ঃ
যখন তাদের কারো কাছে মৃত্যু আসে, তখন সে ব,, হে আমার রব্ব!আমাকে পুনরায় দুনিয়াতে প্রেরণ করুন,যাতে আমি সৎকর্ম করে পারি,যা আমি করিনি। এরূপ কখনোই হবে না।এ তো তার একটি কথার মাত্র। তাদের সামনে বরযখ রয়েছে পুনরুজ্জীবিত দিবস পর্যন্ত।(আল-কোরআান২৩/সূরা আল-মু'মিনূনঃ৯৯-১০০)
ইবনে জুরাইজ রাহ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল্লুল্লাহ (স) উম্মুল মু'মিনীন আয়িশা(রা) কে উদ্দেশ্য করে বলেন
মৃত্যুরসময় মু'মিন ব্যক্তি ফেরেশতাদের দেখতে পায়। ফেরেশতাগণ তাকে জিজ্ঞেস করে, তুমি কি পুনরা দুনিয়াতে ফিরে যেতে চাও? সে বলে, আমি দুঃখ-কষ্টের জগতে ফিরে গিয়ে কী করব?!বরং আমাকে আল্লাহর কাছে নিয়ে যান।কাফির কে এই কথা জিজ্ঞেস করা হলে সে বলে,আমাকে দুনিয়াতে ফিরে নিয়ে যাও।যাতে আমি সৎকর্ম করতে পারি,যা আমি করিনি।এরূপ কখনো হবে না(তাবা, জামিউল বায়ান..খ.১৯,পৃ.৬৯)
ইসলামে জন্মান্তরবাদের প্রভাবঃকালক্রমে অন্যান্য ধর্মদর্শনের প্রভাবে ইসলামের মধ্যেইও জন্মান্তর তত্ত্বের অনুপ্রবেশ লক্ষ্য করা যায়।প্রথমে 'ইসমা'ঈলী',নুছাইরী', ও দুরূয', প্রভৃতি বাতিনী শী'আ সম্প্রদায়ের মধ্যে এ তত্ত্ব স্বীকৃতি লাভ করে।অনুরূপভাবে দেওয়ানবাগীও হিন্দুদেরমত জন্মান্তরবাদ ধারণা পোষণ করে।(বিস্তারিতদেখুন, দেওয়ানবাগী, আল্লাহ কোন পথে,পৃ.৭৮)
উপনিষদে বলা হয়েছে-
একটিজোঁকযেমন একটি তৃণের উপর এসে সে পুরাতন তৃণকে ছেড়ে নতুন তৃণ গ্রহণকরে,তেমনি জীবাত্মা পুরাতন স্থুল দেহ ছেড়ে নতুন স্থুল দেহ ধারণ করে।
(বৃহদারণ্যক উপনিষদ, ৪/৪/৩)
শ্রীমদ্ভাগবত গীতায় এর আরো সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন,
"জিতস্য হি ধ্রুবো মৃত্যুধ্রুবং জন্ম মৃতস্য চ।
তন্মাদপরিহার্যেহর্থে ন ত্বং শোচিতুমহর্সি।"(গীতা,২/২৭)
অর্থাৎ 'জাত ব্যক্তির মৃত্যু ধ্রুব এবং মৃতুের জন্ম ধ্রুব।অর্থ্যাৎ জন্ম-মৃ, পুনর্জন্ম ও পুনর্মৃত্যু জীবজীবনে চক্রাকারে চলতে থাকে- এটাই চরম সত্য। এই চক্রকে বলা হয় ভবচক্র।তবে কর্মফল অনুসারে জীবাত্মা যখন পরমাত্মার বিলীন হয়, তখন ভবচক্রের ও জন্মান্তরের প্রয়োজন থাকে না।
উল্লেখ্যযে,এ ভবচক্র থেকে পরিত্রানের নাম হল 'মুক্তি'।
সনাতন ধর্মাবলম্বীর এই বিশ্বাটি পরবর্তীকালে জৈন,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টধর্মেও স্বীকৃতি পেয়ে।। এ বিশ্বাস অনুযায়ী হিন্দুধর্মের মধ্যে না আছে কিয়ামতের ধারণা,না আছে হাশর-নশ্বর,হিসাব-নিকাশ,মীযান,জান্নাত-জাহান্নামের ধারণা।
ইসলাম ধর্মমতে- মৃত্যুর পর পুনরায় এ ইহলোকে ফিরে আসার কোনো সুযোগনে।
আল্লাহ বলেন যে-ঃ
যখন তাদের কারো কাছে মৃত্যু আসে, তখন সে ব,, হে আমার রব্ব!আমাকে পুনরায় দুনিয়াতে প্রেরণ করুন,যাতে আমি সৎকর্ম করে পারি,যা আমি করিনি। এরূপ কখনোই হবে না।এ তো তার একটি কথার মাত্র। তাদের সামনে বরযখ রয়েছে পুনরুজ্জীবিত দিবস পর্যন্ত।(আল-কোরআান২৩/সূরা আল-মু'মিনূনঃ৯৯-১০০)
ইবনে জুরাইজ রাহ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল্লুল্লাহ (স) উম্মুল মু'মিনীন আয়িশা(রা) কে উদ্দেশ্য করে বলেন
মৃত্যুরসময় মু'মিন ব্যক্তি ফেরেশতাদের দেখতে পায়। ফেরেশতাগণ তাকে জিজ্ঞেস করে, তুমি কি পুনরা দুনিয়াতে ফিরে যেতে চাও? সে বলে, আমি দুঃখ-কষ্টের জগতে ফিরে গিয়ে কী করব?!বরং আমাকে আল্লাহর কাছে নিয়ে যান।কাফির কে এই কথা জিজ্ঞেস করা হলে সে বলে,আমাকে দুনিয়াতে ফিরে নিয়ে যাও।যাতে আমি সৎকর্ম করতে পারি,যা আমি করিনি।এরূপ কখনো হবে না(তাবা, জামিউল বায়ান..খ.১৯,পৃ.৬৯)
ইসলামে জন্মান্তরবাদের প্রভাবঃকালক্রমে অন্যান্য ধর্মদর্শনের প্রভাবে ইসলামের মধ্যেইও জন্মান্তর তত্ত্বের অনুপ্রবেশ লক্ষ্য করা যায়।প্রথমে 'ইসমা'ঈলী',নুছাইরী', ও দুরূয', প্রভৃতি বাতিনী শী'আ সম্প্রদায়ের মধ্যে এ তত্ত্ব স্বীকৃতি লাভ করে।অনুরূপভাবে দেওয়ানবাগীও হিন্দুদেরমত জন্মান্তরবাদ ধারণা পোষণ করে।(বিস্তারিতদেখুন, দেওয়ানবাগী, আল্লাহ কোন পথে,পৃ.৭৮)





0 Reviews